ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী নির্যাতন মামলায় থানার রাইটার শহিদুল্লাহ গ্রেফতার।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | শেরপুর

শেরপুর সদর থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(গ) ধারার মামলায় থানার রাইটার মো. শহিদুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে শহরের থানা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার হওয়া শহিদুল্লাহ শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমড়ী মুদীপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

মামলার এজহার অনুযায়ী, ২০১১ সালে শামছুন্নাহারের সঙ্গে শহিদুল্লাহর পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের ১১ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। বাদীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌতুকের জন্য চাপ এবং মারধর করে আসছিলেন।

এজহারে আরও বলা হয়, সম্প্রতি শহিদুল্লাহ ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি স্ত্রীকে মারধর করে আহত করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারায় মামলা দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে সেটি শেরপুর সদর থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড হয়। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহিদুল্লাহকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে।

ট্যাগস :

দীর্ঘ ২ বছর পর অনুমোদন পেল শেরপুর জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কমিটি, মালিকদের মাঝে স্বস্তি।

নারী নির্যাতন মামলায় থানার রাইটার শহিদুল্লাহ গ্রেফতার।

আপডেট সময় ১১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | শেরপুর

শেরপুর সদর থানায় দায়ের হওয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(গ) ধারার মামলায় থানার রাইটার মো. শহিদুল্লাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে শহরের থানা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্রেফতার হওয়া শহিদুল্লাহ শেরপুর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের কুমড়ী মুদীপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

মামলার এজহার অনুযায়ী, ২০১১ সালে শামছুন্নাহারের সঙ্গে শহিদুল্লাহর পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের ১১ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। বাদীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, যৌতুকের জন্য চাপ এবং মারধর করে আসছিলেন।

এজহারে আরও বলা হয়, সম্প্রতি শহিদুল্লাহ ২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি স্ত্রীকে মারধর করে আহত করেন। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
চিকিৎসা শেষে ভুক্তভোগী আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১(গ) ধারায় মামলা দায়ের করলে আদালতের নির্দেশে সেটি শেরপুর সদর থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড হয়। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে শহিদুল্লাহকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে।