প্রফেসর ইউনুস এই সুযোগ নিতে চেয়েছিলেন দেশের গণমানুষের কল্যানে শত বছরের দুঃখ মোচনে!🥲
কিন্তু পারেননি! একা পথে নিঃসঙ্গ একা পথে অতদূর যাওয়া বৃদ্ধ বয়সে!? বিপ্লবের পথে দেখলেন চারপাশে সব বর্ণচোরা শয়তান দেশদ্রোহী আসিফ নজরুল – মাহফুজ আলম – এটর্নি আসাদ-খোদ ওয়াকার-বাম সুশীল প্রথমআলো-র এর মিটিং বেস্ ডেইলি স্টার!!?? তবুও পারতেন; গাদ্দার স্টকহোল্ডারদের দেখে তিনি অতটা অবাক হননি! তিনি সামলে নিয়েছিলেন কৌশলে! কারণ আন্তর্জাতিক ইতিহাস উনার নখদর্পণে। তাছাড়া শেষ বয়সে দেশের জন্য জীবন দিতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। কারণ জগৎশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তিতে ভরা উনার হারানোর কিছুই নেই। কিন্তু পারেননি! কেন পারেননি!? হাল ছেড়ে দিয়েছেন! কেন হাল ছেড়ে দিয়েছেন!?
অথবা ভারত বিএনপি বা ওয়াকারের লাগাতার ষড়যন্ত্র! অথবা মহারাম আলোমতিদের ষড়যন্ত্র! না! মোটেও না! এগুলোতে ভয় পাওয়ার লোক ড ইউনুস না! তাহলে তো উনি আসতেন ই না! তাহলে কেন!? আরে ভাই! বলেন না কেন?? বলছি! বলছি; যে রক্তলাল জুলাই উনাকে এ সুযোগ করে দিয়েছিলো সেই জুলাইয়ের ড্রাইভার নাহিদ-আসিফ- মাহফুজরা যখন বেঁকে বসলো!? যখন মাহফুজ ওপেনে জুলাইসিপাহীদের গোয়াল ঘরে আঘাত হানা শুরু করলো অযাচিত মিথ্যাচারে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত শত্রুতায়! যখন বারবার জামাতবিরোধীতায় ঝাঁপিয়ে পড়লো নাহিদ-আসিফ- মাহফুজরা!? এগুলো বিচক্ষণ খেলাড়ি প্রফেসর ইউনুসের চিন্তা এড়ায়নি!? তখনই উনি শেষবারের মত ভেঙে পড়েছিলেন!? 🥲 আরো ভেঙে পড়েছিলেন যখন দেখলেন জামাত মরণপণ ফাইট দিতে রাজি নয়! ফাইট দিয়ে ক্ষমতা নিতে এবারের জন্য অন্ততঃ না! সোজা সরলভাবে আসলে তবেই শুধু! অথবা মোটামোটি আসনে বিরোধীদল হলেই তারা এবারের মত খুশি! ঠিক তখনই শেষ বারের মত পরাজয় মেনে নিলেন লড়াকু ইউনুস🥲 কারণ তিনি দাবার কারিগর সত্তরের বছরের উত্থান পতনের! তিনি দেখলেন আসিফ-নাহিদ- মাহফুজেরা কৌশলে বিএনপি বন্দনায় দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত! তিনি দেখলেন নাহিদ আসিফদের অকথ্য জামাতবিরোধীতা!🥲 তখন যদি নাহিদ আসিফরা বিএনপির সুরে সুর না মিলাতো! তখন যদি নাহিদ আসিফ মাহফুজরা জামাতবিরোধীতায় না নামতো! যদি সময়ের আগেই দেশপ্রেমিক জামাতের হাতে হাত রাখতো নাহিদ-আসিফরা! তবে ইতিহাস আজ অন্যরকম হতে পারতো। আজ আর খুন ধর্ষণের মহামারি হতো না। ঋণখেলাপিরা পার পেতো না। লুটেরা ব্যবসায়ীরা গভর্ণর হওয়ার দুঃসাহস দেখাতো না। প্রত্যেকটা অপরাধের বিচার হতো দ্রুতগতিতে। নারী শিক্ষার্থীরা নিরাপদে পড়াশোনার নিরাপত্তা পেতো কঠোর ন্যায়বিচার বাস্তবায়নে।নিরাপদে ঈদ যাত্রা হতো ঘরে ঘরে। চালকশ্রেণী বিনা চাঁদায় গাড়ী নিয়ে গন্তব্যে ফিরতো। সীমান্তে হত্যা জিরো টলারেন্স হতো। বিনা চ্যালেঞ্জে শত্রুকে ছাড়া হতো না। সৎ দক্ষ দেশপ্রেমিক মানুষগুলোর শাসনে প্রতিদিন ঈদ হতো বাংলার ঘরে ঘরে। কিন্তু…না🥲। হলো না!🥲 শাসকশ্রেণী ক্ষমতার অহংকারে তড়িঘড়ি ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর নাটের গুরু এসআলমের অর্থের মই বৈভবে! খুন ধর্ষণ রাহাজানি তেল গ্যাসের উর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাস চরমে! আরেকটি বিপ্লবের অপেক্ষা 🥲 বিপ্লবী নাহিদ-আসিফরা নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ফিরেছে দেশপ্রেমের কাতারে✊ মীর কাসেমও ভুল বুঝতে পেরেছিলো। এবার বক্সারের যুদ্ধ হবে। মীর কাসেম হারলেও বিপ্লবীরা হারবে না, কারন ইংরেজ নেই। তাঁরা আমাদের দেশপ্রেম বিপ্লবের পক্ষে। বরং তাঁরা হতবাক!🥲 কি করে রক্তসাগর বিপ্লব বৃথা গেল!?? কি করে চাঁদাবাজ খুনি বিএনপি ভোট পেল?? কারা দিল?? এ দেশে কি মানুষের বাহুল্য নেই!?? আরেকটি বিপ্লবের প্রসব বেদনার অপেক্ষায়✊✊🇧🇩🇧🇩 চলবে….(কাজী এম এস জালাল-
সম্পাদক-কৃষাণমাঝি)
লাল জুলাই বিপ্লবের কফিন!
-
কাজি এম এস জালাল - আপডেট সময় ১২:১২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
- ৩ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস :
সর্বাধিক পঠিত

















