ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্যাপুরের এসআরবি ইট ভাটা গুড়িয়ে দিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ-গাইবান্ধায় চলতি মৌসুমে জেলায় ১৭৩টি ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ১৫৭টিরই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। এসব অবৈধ ভাটার মধ্যে অন্তত ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে গড়ে তোলা হয়েছে।সব চেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে
সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর-ঠুঠিয়াপুকুর সড়কের পশ্চিম পাশে এসআরবি ইটভাটার অবস্থান। এর পূর্ব পাশে কুঞ্জমহিপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন ও ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন আইন লংঘনের দায়ে গত বছর জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ভাটাটি চিরতরে গুড়িয়ে দেয়া হলেও রহস্য জনক কারনে এ বছরে আবার এক রাউন্ড ইট ইতিমধ্যে পোড়ানো হয়েছে। অস্থিত্ববিহীন এ ইট ভাটাটি চালু করা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অন্যদিকে -অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়ায় কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

বিশেষতঃ শিশু শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। পাশাপাশি ফসলি জমির ওপরের মাটি কেটে ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা কমছে।তাই অতি দ্রুত জনস্বার্থে এই ইট ভাটাটি গুড়িয়ে দিতে জেলা প্রশাসন ও গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন এটাই বিজ্ঞ মহলের প্রত্যাশা।

ট্যাগস :

সাদুল্যাপুরের এসআরবি ইট ভাটা গুড়িয়ে দিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

সাদুল্যাপুরের এসআরবি ইট ভাটা গুড়িয়ে দিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

আপডেট সময় ০৭:৫৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ-গাইবান্ধায় চলতি মৌসুমে জেলায় ১৭৩টি ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে ১৫৭টিরই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। এসব অবৈধ ভাটার মধ্যে অন্তত ২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে গড়ে তোলা হয়েছে।সব চেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে
সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর-ঠুঠিয়াপুকুর সড়কের পশ্চিম পাশে এসআরবি ইটভাটার অবস্থান। এর পূর্ব পাশে কুঞ্জমহিপুর দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন ও ইট প্রস্তুত ভাটা স্থাপন আইন লংঘনের দায়ে গত বছর জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ভাটাটি চিরতরে গুড়িয়ে দেয়া হলেও রহস্য জনক কারনে এ বছরে আবার এক রাউন্ড ইট ইতিমধ্যে পোড়ানো হয়েছে। অস্থিত্ববিহীন এ ইট ভাটাটি চালু করা নিয়ে জনমনে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অন্যদিকে -অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়ায় কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

বিশেষতঃ শিশু শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। পাশাপাশি ফসলি জমির ওপরের মাটি কেটে ইটভাটায় নেওয়া হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা কমছে।তাই অতি দ্রুত জনস্বার্থে এই ইট ভাটাটি গুড়িয়ে দিতে জেলা প্রশাসন ও গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন এটাই বিজ্ঞ মহলের প্রত্যাশা।


Notice: ob_end_flush(): failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home2/krishanmajhee/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481