ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধুপুরের এক পল্লী চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

বাবুল রানা, মধুপুর টাঙ্গাইল থেকে

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন জটাবাড়ী মৌজার এক পল্লী চিকিৎসককে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে মির্জাবাড়ি বাজারে এক ফার্মেসিতে চিকিৎসা প্রদান কালে বিশ্বজিৎ বসু নামের পল্লিচিকিৎসককে এ জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, পল্লী চিকিৎসক বিশ্বজিৎ বসু দীর্ঘদিন যাবত রোগী দেখে নিয়মিত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন লিখে আসছিলেন, যা গ্রহণের নির্দেশ শুধু এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা দিতে পারেন। তিনি নিজের নামে প্রেসক্রিপশন প্যাড তৈরি করে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।এছাড়া একটি ফার্মেসির লাইসেন্স দিয়ে দুটি ফার্মেসি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ছিলো তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও যোগ্যতা নেই এমন ব্যক্তিকে ফার্মাসিস্টের কাজে নিয়োজিত করেছিলেন তিনি। তার ফার্মেসিতে তল্লাশি করে বেশ কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায় বলে জানা যায়।

এসকল অপরাধে পল্লীচিকিৎসক বিশ্বজিৎ বসুকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া। প্রসিকিউশন প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান।
সহযোগিতায় ছিলেন মধুপুর সেনাক্যাম্পের মোহাম্মদ আলী এর নেতৃত্বে একটি চৌকস দল।

ট্যাগস :

কুয়েতস্থ চৌদ্দগ্রাম ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মধুপুরের এক পল্লী চিকিৎসককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট সময় ০৫:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

বাবুল রানা, মধুপুর টাঙ্গাইল থেকে

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন জটাবাড়ী মৌজার এক পল্লী চিকিৎসককে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেলে মির্জাবাড়ি বাজারে এক ফার্মেসিতে চিকিৎসা প্রদান কালে বিশ্বজিৎ বসু নামের পল্লিচিকিৎসককে এ জরিমানা করা হয়।
জানা যায়, পল্লী চিকিৎসক বিশ্বজিৎ বসু দীর্ঘদিন যাবত রোগী দেখে নিয়মিত ঝুঁকিপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন লিখে আসছিলেন, যা গ্রহণের নির্দেশ শুধু এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা দিতে পারেন। তিনি নিজের নামে প্রেসক্রিপশন প্যাড তৈরি করে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।এছাড়া একটি ফার্মেসির লাইসেন্স দিয়ে দুটি ফার্মেসি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও ছিলো তার বিরুদ্ধে। এছাড়াও যোগ্যতা নেই এমন ব্যক্তিকে ফার্মাসিস্টের কাজে নিয়োজিত করেছিলেন তিনি। তার ফার্মেসিতে তল্লাশি করে বেশ কিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়া যায় বলে জানা যায়।

এসকল অপরাধে পল্লীচিকিৎসক বিশ্বজিৎ বসুকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুসারে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া। প্রসিকিউশন প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান।
সহযোগিতায় ছিলেন মধুপুর সেনাক্যাম্পের মোহাম্মদ আলী এর নেতৃত্বে একটি চৌকস দল।