নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ- গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের চাপাদহ পাচঁজুম্মা বাজারের সার ডিলারের লাইসেন্স নিয়ে জনমনে প্রশ্ন-ডিলার কর্তৃক ৪০ বস্তা সার পাচার। নেই কোন আইনী ব্যবস্থা।
জানা গেছে, গাইবান্ধা সদর উপজেলা কুপতলা ইউনিয়নের চাপাদহ পাচঁজুম্মা বাজারে ” মেসার্স সাজ্জাদ ট্রেডার্স, বি.সি.আই.সি অনুমোদিত রাসায়নিক সার ডিলার,কুপতলা গাইবান্ধা সদর,সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়ে,,অত্র ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম চাপাদহ গ্রামের মৃত্যু একিন আলী মাষ্টারের পুত্র মোঃ আব্দুল মাজেদ বুলু নামে এক ব্যক্তি সার বিক্রি ও পাচার করে আসছেন।স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশ্ন-তিনি কি সরকারি বিধি মোতাবেক নিয়োগকৃত ডিলার- নাকি গাইবান্ধা শহরস্থ মৃত্যু সাজ্জাদ ট্রেডার্সের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ ভাবে অনৈতিক ব্যবসা করে আসছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
গত ২৯/১/২০২৬ ইং এক তথ্যের ভিক্তিতে অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়,২৫ বস্তা ইউরিয়া,টিএসপি নিয়ে ২টি অটোরিকশা কুপতলা গোডাউন বাজারের পুর্বপাশে বটগাছ তলায় স্থানীয় জনসাধারন আটক করে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে খবর দেন। সংবাদ পেয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পান। এ সময় ভ্যান চালক (নাম অজ্ঞাত) জানান,কিছুক্ষন আগে আমি ১৫ বস্তা টিএসপি সার গোডাউন বাজারের রফিকুল নামে এক মনোহারি/সার দোকানে দিয়েছি, এখন আরো ২ ভ্যানে ২৫ বস্তা দেয়ার জন্য নিয়ে যাচ্ছি বলে জানান। চাঁপাদহ পাচঁজুম্মাবাসীর অভিযোগ,এ সার ডিলার সারাদিন দোকানঘর বন্ধ রেখে সন্ধার পর প্রতিনিয়ত পাচার করে আসছেন। আটককৃত সারের ব্যাপারে “গাইবান্ধা সদর ইউএনওকে অবহিত করলে ক্ষিপ্ত হয়ে গোডাউন বাজারের সার ক্রেতা মোঃ রফিকুল ইসলাম দোকানদার সার গুলি তার লোকজন দিয়ে জোরপূর্বক নিয়ে যান।ঘটনার ২ দিন অতিবাহিত হলেও সার জব্দ কিংবা ডিলার ও খুচরা ক্রেতার বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। সার পাচার ও ডিলারশীব নিয়োগ সমন্নিত নীতিমালা-২০২৫ বাস্তবায়নে ” জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি” কঠোর আইনী ব্যবস্থা নিবেন এটাই ভুক্তভোগী মহলের প্রত্যাশা।
নিজস্ব সংবাদ : 












