ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জের পুর্ব বেলকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নে অবস্থিত “পুর্ব বেলকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ উঠলেও ব্যবস্থা নেয়নি প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আইনী ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়,উক্ত স্কুলে পবিত্র রোজার দিন স্কুল বন্ধ থাকা স্বত্বেও প্রাথমিক ও হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র -ছাত্রীদের কোচিং পড়ানো হচ্ছে।সরকারি নীতিমালা ও প্রজ্ঞাপনানুযায়ী -ছুটির পর বা বন্ধের দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়াতে ও কোচিং করাতে পারবেন না শিক্ষকরা। একই সঙ্গে অন্যান্য কাজেও শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করা যাবে না। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্তরা দায়ী থাকবেন।
এ সংক্রান্ত আদেশ সব বিভাগীয় উপপরিচালক,পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা বা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।এতস্বত্বেও উক্ত বিদ্যালয়ে ২০১৫ ইং সাল থেকে জিয়া নামে এক ব্যক্তি কোচিং বাণিজ্য করে আসছেন জানা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ আবু রায়হান দুদু মাষ্টার।তিনি আরো জানান,জামাত শিবিরের নাম ভাঙ্গিয়ে এ কোচিং সেন্টার পরিচালনা করায় আমরা বন্ধ করার সাহস পাচ্ছিনা। প্রধান শিক্ষক মোছাঃ রাশিদা বেগমে ও একই কথা বলছেন। অন্যদিকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার(এটিও)মুকুল চন্দ্রকে অবগত করলে তিনি আইনী ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।

ট্যাগস :

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিলেট সিটি অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সুন্দরগঞ্জের পুর্ব বেলকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নে অবস্থিত “পুর্ব বেলকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ উঠলেও ব্যবস্থা নেয়নি প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আইনী ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়,উক্ত স্কুলে পবিত্র রোজার দিন স্কুল বন্ধ থাকা স্বত্বেও প্রাথমিক ও হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ থেকে ১০ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র -ছাত্রীদের কোচিং পড়ানো হচ্ছে।সরকারি নীতিমালা ও প্রজ্ঞাপনানুযায়ী -ছুটির পর বা বন্ধের দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রাইভেট পড়াতে ও কোচিং করাতে পারবেন না শিক্ষকরা। একই সঙ্গে অন্যান্য কাজেও শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করা যাবে না। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্তরা দায়ী থাকবেন।
এ সংক্রান্ত আদেশ সব বিভাগীয় উপপরিচালক,পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও থানা বা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাঠানো হয়েছে।এতস্বত্বেও উক্ত বিদ্যালয়ে ২০১৫ ইং সাল থেকে জিয়া নামে এক ব্যক্তি কোচিং বাণিজ্য করে আসছেন জানা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ আবু রায়হান দুদু মাষ্টার।তিনি আরো জানান,জামাত শিবিরের নাম ভাঙ্গিয়ে এ কোচিং সেন্টার পরিচালনা করায় আমরা বন্ধ করার সাহস পাচ্ছিনা। প্রধান শিক্ষক মোছাঃ রাশিদা বেগমে ও একই কথা বলছেন। অন্যদিকে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার(এটিও)মুকুল চন্দ্রকে অবগত করলে তিনি আইনী ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।