ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অবৈধ ইট ভাটায় প্রকাশ্যে পোড়ানো হচ্ছে খড়ি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ-

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা,পারআমলাগাছী গ্রামে মেসার্স জেবি ব্রিক্সস যার রশিদ বহিতে লেখা বোর্ড বাজার,মহদীপুর পলাশবাড়ী “মেসার্স জেমি ব্রিক্সস ” ইট ভাটাটি চলছে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই। প্রকাশ্যে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ/খড়ি।গুড়িয়ে দেয়ার দাবী এলাকাবাসীর।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উক্ত ইট ভাটাটি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ইটভাটায় কয়লার পরিবর্তে ইট পোড়াতে কাঠ-খড়ি প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং কৃষি জমির উপর স্থাপিত এ সমস্ত ভাটা মালিকরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত দূষিত করছে পরিবেশ ও ক্ষতি করছে কৃষি জমির। এতে ফসলি জমিতে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোনোরকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইটভাটায় গাছের গুড়ি পোড়ানোয় বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে বিপন্ন হচ্ছে জীববৈচিত্র ও পরিবেশ। হুমকির মুখে পড়েছে ভাটা সংলগ্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নদী, শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ জনপদের জনস্বাস্থ্য।
অবৈধ ইটভাটার সৃষ্ট দূষণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বয়স্ক ও শিশুরা। প্রশাসনের কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না থাকায় বেপরোয়া মালিকপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে- অবৈধ এসব ইটভাটা বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নেই কার্যকর পদক্ষেপ।
এ ইট ভাটাটির মূল ক্লেনের পাশেই কাঠ খড়ি জড়ো করে রাখা হয়েছে। সেখানেই শ্রমিকরা বড় আকারের কাঠের গুলগুলো চেড়াই করে ভাটায় পোড়ানোর উপযোগী করছে।
ভাটা স্থাপনের জন্য পরিবেশ ছারপত্র আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ভাটার মালিক মোঃ রুবেল মিয়া বাবু জানান, এটা আসলে ভাটা মালিকদের ইন্টারনাল বিষয়। এ বিষয় ওপেন করা যাবে না।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ এ প্রতিনিধিকে জানান, ভাটাগুলোর অনুমোদন নেই। এছাড়া ইট ভাটায় ইট পোড়ানোয় কাঠ খড়ি ব্যবহার সরকারিভাবেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।অন্যদিকে
গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার বলেন,খুব দ্রুত আইনী ব্যবস্থা দেয়া হবে।

ট্যাগস :
সর্বাধিক পঠিত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের চন্ডিপুরে সরক নির্মাণে নিম্নমানের খোঁয়া ব‍্যবহারের অভিযোগ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে অবৈধ ইট ভাটায় প্রকাশ্যে পোড়ানো হচ্ছে খড়ি

আপডেট সময় ০৬:৩১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

নুরুল ইসলাম,গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ-

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা,পারআমলাগাছী গ্রামে মেসার্স জেবি ব্রিক্সস যার রশিদ বহিতে লেখা বোর্ড বাজার,মহদীপুর পলাশবাড়ী “মেসার্স জেমি ব্রিক্সস ” ইট ভাটাটি চলছে পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই। প্রকাশ্যে পোড়ানো হচ্ছে কাঠ/খড়ি।গুড়িয়ে দেয়ার দাবী এলাকাবাসীর।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উক্ত ইট ভাটাটি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অতিরিক্ত মুনাফার লোভে ইটভাটায় কয়লার পরিবর্তে ইট পোড়াতে কাঠ-খড়ি প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং কৃষি জমির উপর স্থাপিত এ সমস্ত ভাটা মালিকরা নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত দূষিত করছে পরিবেশ ও ক্ষতি করছে কৃষি জমির। এতে ফসলি জমিতে উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কোনোরকম নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইটভাটায় গাছের গুড়ি পোড়ানোয় বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে বিপন্ন হচ্ছে জীববৈচিত্র ও পরিবেশ। হুমকির মুখে পড়েছে ভাটা সংলগ্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নদী, শহরাঞ্চল ও গ্রামীণ জনপদের জনস্বাস্থ্য।
অবৈধ ইটভাটার সৃষ্ট দূষণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বয়স্ক ও শিশুরা। প্রশাসনের কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ না থাকায় বেপরোয়া মালিকপক্ষ। অভিযোগ রয়েছে- অবৈধ এসব ইটভাটা বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নেই কার্যকর পদক্ষেপ।
এ ইট ভাটাটির মূল ক্লেনের পাশেই কাঠ খড়ি জড়ো করে রাখা হয়েছে। সেখানেই শ্রমিকরা বড় আকারের কাঠের গুলগুলো চেড়াই করে ভাটায় পোড়ানোর উপযোগী করছে।
ভাটা স্থাপনের জন্য পরিবেশ ছারপত্র আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ভাটার মালিক মোঃ রুবেল মিয়া বাবু জানান, এটা আসলে ভাটা মালিকদের ইন্টারনাল বিষয়। এ বিষয় ওপেন করা যাবে না।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ জাবের আহমেদ এ প্রতিনিধিকে জানান, ভাটাগুলোর অনুমোদন নেই। এছাড়া ইট ভাটায় ইট পোড়ানোয় কাঠ খড়ি ব্যবহার সরকারিভাবেই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।অন্যদিকে
গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার বলেন,খুব দ্রুত আইনী ব্যবস্থা দেয়া হবে।