ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ যাত্রার আগেই নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে তীব্র যানজট, ৭ কিলোমিটার জুড়ে যানজটের অবস্থান।

সাভার উপজেলা প্রতিনিধি
ঈদুল আজহার ছুটির আগেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানী ও আশেপাশের জেলার মানুষ। আজ শনিবার সকাল থেকেই নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ তীব্র যানজট। উপচে পড়া মানুষের ভিড়ে রাস্তায় পা ফেলার মতো জায়গা নেই। যানবাহনের ধীরগতির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের।

সকাল থেকে গাড়ির চাপ বাড়তে থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ঢাকা ছেড়ে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা একযোগে বেরিয়ে পড়ায় রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী ট্রাকের চাপে মহাসড়ক কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে রাস্তায় নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করা পুলিশ ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের সদস্যরা যানজট নিরসনে আপ্রাণ চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, কিছু স্থানে রাস্তার খারাপ অবস্থা এবং অপ্রতুল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও এই যানজটের জন্য দায়ী।

ঈদযাত্রা আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা যাত্রীদের সকাল-বিকেল বা রাতের চাপ কম সময়ে যাতায়াতের পরামর্শ দিচ্ছেন।

এদিকে, ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীরা বলছেন, “প্রতি বছরই ঈদের সময় এই অবস্থা হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান নেই। পরিবার নিয়ে রাস্তায় এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর।”

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। তবে ঈদের আগের দিনগুলোতে আরও যানজট বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :

কুয়েতস্থ চৌদ্দগ্রাম ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

ঈদ যাত্রার আগেই নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে তীব্র যানজট, ৭ কিলোমিটার জুড়ে যানজটের অবস্থান।

আপডেট সময় ০৩:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

সাভার উপজেলা প্রতিনিধি
ঈদুল আজহার ছুটির আগেই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানী ও আশেপাশের জেলার মানুষ। আজ শনিবার সকাল থেকেই নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ তীব্র যানজট। উপচে পড়া মানুষের ভিড়ে রাস্তায় পা ফেলার মতো জায়গা নেই। যানবাহনের ধীরগতির কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যাত্রীদের।

সকাল থেকে গাড়ির চাপ বাড়তে থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ঢাকা ছেড়ে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীরা একযোগে বেরিয়ে পড়ায় রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বাস, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও পণ্যবাহী ট্রাকের চাপে মহাসড়ক কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে রাস্তায় নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করা পুলিশ ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের সদস্যরা যানজট নিরসনে আপ্রাণ চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, কিছু স্থানে রাস্তার খারাপ অবস্থা এবং অপ্রতুল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাও এই যানজটের জন্য দায়ী।

ঈদযাত্রা আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা যাত্রীদের সকাল-বিকেল বা রাতের চাপ কম সময়ে যাতায়াতের পরামর্শ দিচ্ছেন।

এদিকে, ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীরা বলছেন, “প্রতি বছরই ঈদের সময় এই অবস্থা হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান নেই। পরিবার নিয়ে রাস্তায় এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকা খুব কষ্টকর।”

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। তবে ঈদের আগের দিনগুলোতে আরও যানজট বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।