মো: বিলাল উদ্দিন,
স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট:
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আব্দুল খালিক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কর্মরত আছেন। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নিজ জন্মভূমি ও এলাকার মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে নিয়মিতভাবে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে যাচ্ছেন। ফলে প্রবাসে থেকেও তিনি হয়ে উঠেছেন গোয়াইনঘাটবাসীর গর্ব ও অনুপ্রেরণার প্রতীক।
ছাত্রজীবন ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা
ছাত্রজীবনে মোহাম্মদ আব্দুল খালিক ছিলেন একজন উজ্জ্বল ছাত্রনেতা। তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী একটি পরিবারের সদস্য হিসেবে শুরু থেকেই সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। এলাকার বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি নিজেকে একজন দায়িত্বশীল ও প্রতিশ্রুতিশীল সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
শিক্ষাজীবনের সাফল্য
তিনি সুনামের সঙ্গে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মদন মোহন কলেজ থেকে। শিক্ষাজীবনে মেধা ও নেতৃত্বগুণের স্বাক্ষর রেখে পরবর্তীতে জীবিকার তাগিদে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে কর্মরত ও স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
প্রবাসে থেকেও দেশের টানে
দীর্ঘদিন প্রবাসে অবস্থান করলেও দেশের প্রতি তার ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা একটুও কমেনি। নিজ এলাকা গোয়াইনঘাটের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি সবসময় প্রস্তুত থাকেন। নিজের কষ্টার্জিত অর্থ থেকে নীরবে সহায়তা করে যাচ্ছেন বহু পরিবারকে।
বিশেষ করে শিক্ষা সহায়তা, অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা ব্যয় বহন, খেলাধুলার সরঞ্জাম বিতরণ, শীতবস্ত্র প্রদানসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। তার আর্থিক সহযোগিতায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংগঠক হিসেবে ভূমিকা
মোহাম্মদ আব্দুল খালিক গোয়াইনঘাট ও সিলেট ছাত্র পরিষদের একজন সক্রিয় সংগঠক হিসেবেও পরিচিত। প্রবাসে অবস্থান করেও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও প্রবাসী সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। সংগঠনগুলোকে সুসংগঠিত করা, কার্যক্রমে গতি আনা এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও আর্থিক সহায়তা প্রদানে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
তার উদ্যোগে একাধিক মানবিক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সময়ে ত্রাণ বিতরণ ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।
স্থানীয়দের অভিমত
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা বলেন, মোহাম্মদ আব্দুল খালিকের মতো প্রবাসীরা যদি আরও এগিয়ে আসেন, তাহলে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে এবং মানবিক উদ্যোগগুলো আরও বিস্তৃত হবে।
প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও নিজ জন্মভূমির মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া মোহাম্মদ আব্দুল খালিক আজ গোয়াইনঘাটবাসীর কাছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তার এই মানবিক ও সামাজিক অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
গোয়াইনঘাট উপজেলার কৃতি সন্তান মোহাম্মদ আব্দুল খালিক: প্রবাসে থেকেও মানবসেবায় উজ্জ্বল এক নাম।
-
নিজস্ব সংবাদ : - আপডেট সময় ০৬:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- ৫ বার পড়া হয়েছে
ট্যাগস :
সর্বাধিক পঠিত


























