ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিল থেকে সংগ্রহ করা শাকপাতা বিক্রি করে তার সংসার চলে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

ইমাদুল ইসলাম, অভয়নগর থেকে

যশোর অভয়নগরের বিভিন্ন হাটে তাকে কলমি শাক বিক্রি করতে দেখি। আজ সন্ধ্যায় অভয়নগরের বাশুয়াড়ী দিঘির পাড়ের কাছাকাছি ওনার সাথে দেখা। কলমি শাক বিক্রি করে বাড়ি যাচ্ছিল লক্ষ্য করলাম উনি বেশ কিছু ভ্যান চালককে নেয়ার জন্য বলতেছিল কিন্তু কেউ তাকে ভ্যানে নিতে চাচ্ছিল না। বিষয়টা দোখে খুব খারাপ লাগছিল ভ্যান চালকরা মনে করছিল উনি হয়তো টাকা দিবে না।
পরে উনার সাথে হাঁটতে হাঁটতে কিছুক্ষণ কথা বললাম নাম জিজ্ঞাসা করলে বললো শামসুর শেখ বাসা ৭ নং শুভরাড়া ইউনিয়নের হিদিয়া গ্রামে। তার স্ত্রী আর এক ছেলে এক মেয়ে ছিল কিন্তু ছেলেটা মারা গেছে এবং মেয়েটার বিয়ে দিয়েছে। নিজের জায়গা জমি নেই বর্তমান সে এবং তার বৃদ্ধ স্ত্রী অন্যের জায়গায় বসবাস করে বিল থেকে শাকপাতা সংগ্রহ করে বিক্রি করে। এভাবেই তার জীবন চলছে।
পরে আমি নিজে থেকে একটা ভ্যান ডেকে উনাকে উঠিয়ে দিলাম। যাইহোক হিদিয়া গ্রামের বিত্তশালীদের ওনার পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

অভয়গনর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ও সমাজ সেবা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই গরীব মানুষটিকে কিছু অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।

ট্যাগস :

কুয়েতস্থ চৌদ্দগ্রাম ফাউন্ডেশনের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

বিল থেকে সংগ্রহ করা শাকপাতা বিক্রি করে তার সংসার চলে

আপডেট সময় ০৪:৪২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

ইমাদুল ইসলাম, অভয়নগর থেকে

যশোর অভয়নগরের বিভিন্ন হাটে তাকে কলমি শাক বিক্রি করতে দেখি। আজ সন্ধ্যায় অভয়নগরের বাশুয়াড়ী দিঘির পাড়ের কাছাকাছি ওনার সাথে দেখা। কলমি শাক বিক্রি করে বাড়ি যাচ্ছিল লক্ষ্য করলাম উনি বেশ কিছু ভ্যান চালককে নেয়ার জন্য বলতেছিল কিন্তু কেউ তাকে ভ্যানে নিতে চাচ্ছিল না। বিষয়টা দোখে খুব খারাপ লাগছিল ভ্যান চালকরা মনে করছিল উনি হয়তো টাকা দিবে না।
পরে উনার সাথে হাঁটতে হাঁটতে কিছুক্ষণ কথা বললাম নাম জিজ্ঞাসা করলে বললো শামসুর শেখ বাসা ৭ নং শুভরাড়া ইউনিয়নের হিদিয়া গ্রামে। তার স্ত্রী আর এক ছেলে এক মেয়ে ছিল কিন্তু ছেলেটা মারা গেছে এবং মেয়েটার বিয়ে দিয়েছে। নিজের জায়গা জমি নেই বর্তমান সে এবং তার বৃদ্ধ স্ত্রী অন্যের জায়গায় বসবাস করে বিল থেকে শাকপাতা সংগ্রহ করে বিক্রি করে। এভাবেই তার জীবন চলছে।
পরে আমি নিজে থেকে একটা ভ্যান ডেকে উনাকে উঠিয়ে দিলাম। যাইহোক হিদিয়া গ্রামের বিত্তশালীদের ওনার পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

অভয়গনর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ও সমাজ সেবা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এই গরীব মানুষটিকে কিছু অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য।